প্রতিষ্ঠার কথা : রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজ
হযরত শাহ মখদুম রূপোশ (রহ.) এর স্মৃতিবিজড়িত উত্তরবঙ্গের নির্ঝরিণী পদ্মার একান্ত সঙ্গী শান্ত-সৌম্য চিরবৈভবে অনন্য সৌন্দর্যের তীর্থনগরী বিভাগীয় শহর রাজশাহীর প্রাণকেন্দ্র সোনাদিঘির পাশ ঘেঁষে চলমান মালোপাড়া-পিডিবি সড়কের উত্তর পার্শ্বে রাজারহাতায় রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজের অবস্থান । কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দে। যাত্রার শুরুতে এর কোনো নিজস্ব ভবন না থাকায় পার্শ্ববর্তী লোকনাথ হাইস্কুলকে কলেজের ক্লাসগ্রহণ কার্যক্রমের জন্য ব্যবহার করা হতো । সেই সময়ে ম্যাট্রিক (এসএসসি) পাসের স্বল্প বেতনভুক্ত কর্মচারীরা রাজশাহী কলেজে ইন্টারমিডিয়েট শ্রেণিতে (এইচএসসি) নৈশভাগে (নাইট শিফট) পড়ার সুযোগ পেলেও ডিগ্রি পর্যায়ে অধ্যয়নের জন্য কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নৈশবিভাগ চলমান না থাকায় উচ্চশিক্ষা থেকে তারা বঞ্চিত থাকতো । রাজশাহী অঞ্চলের শিক্ষাবঞ্চিত হতদরিদ্র গণমানুষের প্রাণের চাহিদা বিশেষ করে কর্মজীবীদের উচ্চতর শিক্ষার আকাঙ্ক্ষা থেকে ডিগ্রি পর্যায়ের একটি নৈশ কলেজ প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা ব্যাপকভাবে অনুভূত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় রাজশাহী শহরের শিক্ষানুরাগী সমাজসেবী ব্যক্তিদের সহযোগিতায় আজকের রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজ মূলত নৈশ কলেজ হিসেবে ১৯৫৮ সালের জুলাই মাসে প্রতিষ্ঠা লাভ করে । দেশের আইকন প্রতিষ্ঠান হিসেবে খ্যাত রাজশাহী কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ, প্রথিতযশা পন্ডিত জনাব আব্দুল করিম মন্ডল কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন । প্রসঙ্গত বর্তমানে রাজশাহীর সাহেব বাজারে অবস্থিত করিম সুপার মার্কেটের স্থানে জনাব আব্দুল করিম মন্ডলের নিজস্ব বাসভবন ছিল । শিক্ষানুরাগী এই মহানুভব ব্যক্তি অবৈতনিকভাবে অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন এবং তাঁর বাসভবনের ড্রইং রুমটি প্রয়োজনীয় আসবাবপত্রসহ কলেজের কার্যালয় হিসেবে ব্যবহারের জন্য ছেড়ে দেন । বাসভবনটির স্থলে তৈরি করিম সুপার মার্কেটটি কলেজের প্রথম অধ্যক্ষের নামেই পরিচিত । ১৯৫৯ সালে মাত্র ১৮ হাজার টাকায় কলেজটির নিজস্ব ভবন তৈরির জন্য ০.৫ একর জমি ক্রয় করা হয় যেখানে সগৌরবে বর্তমান কলেজটি দাঁড়িয়ে আছে । এরই সঙ্গে পরবর্তীতে আরো কিছু জমি ক্রয়ের মাধ্যমে কলেজের পরিসর বৃদ্ধি করা হয় এবং জমির পরিমাণ দাঁড়ায় ১.০৪৮১ একরে ।
কলেজ প্রতিষ্ঠার পরপর ১৯৫৯ সালে ৩০৭৫/- টাকা দিয়ে ৪০০টি বই ক্রয়ের মাধ্যমে কলেজের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিটির যাত্রা শুরু হয় । বর্তমানে কলেজ লাইব্রেরিটি উচ্চ মাধ্যমিক, ডিগ্রি পাসকোর্স ও সম্মান শ্রেণির পাঠ্যবইসহ বহু দুর্লভ টেক্সট, বিভিন্ন প্রকার পত্রিকা এবং জার্নাল দ্বারা সমৃদ্ধ ।
প্রসপেক্টাস-০৮
দক্ষিণ ব্লকের প্রশাসন ভবনটি হচ্ছে কলেজের জন্য নির্মিত প্রথম ভবন। এই ভবনটি মোট ১ লক্ষ টাকায় নির্মিত হয়েছিল। সেই সময়ে কলেজ পরিচালনা পরিষদের সভাপতি ছিলেন তৎকালীন জেলা প্রশাসক জনাব পি. এ নাজির । ১৯৬৭-৬৮ অর্থ বছরে কলেজের একাডেমিক পশ্চিমভবনটি সরকারি মঞ্জুরীকৃত ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকায় নির্মিত হয় । বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পরে উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় বরাদ্দকৃত ৫ লক্ষ টাকায় কলেজের প্রথম নির্মিত বর্তমানের প্রশাসন ভবনটি দ্বিতল ভবনে রূপলাভ করে আজকের অবস্থানে এসেছে। সময়ের পরিক্রমায় পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে একাডেমিক উত্তরভবন, একাডেমিক পূর্বভবন ও একাডেমিক মধ্যভবন নির্মিত হয় ।
৫৬ শয্যাবিশিষ্ট কলেজ ছাত্রাবাসটি নির্মিত হয় ১৯৯৮ খ্রিস্টাব্দে। এর পূর্বে একটি ভাড়াবাড়ি কলেজের ছাত্রাবাস হিসেবে ব্যবহৃত হতো। পরবর্তীতে অধিগ্রহণকৃত এ জায়গায় আজকের ছাত্রাবাসটি নির্মিত হয়েছে। ছাত্রাবাস চত্বরে পূর্ব থেকেই একটি শহিদমিনার থাকলেও নবনির্মিত বর্তমান শহিদমিনারটির নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয় ২০১৭ খ্রিস্টাব্দে ।
কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ জনাব আব্দুল করিম মন্ডলের দুঃখজনক বিয়োগান্তের পর কলেজটি পরিচালনার দায়িত্ব পান প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত পরিচালক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন কোষাধ্যক্ষ জনাব শামসুদ্দীন আহমেদ । তিনি সেপ্টেম্বর ১৯৫৮ খ্রি. থেকে মে ১৯৬৩ খ্রি. পর্যন্ত কলেজের অবৈতনিক অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন । অত:পর কর্মরত উপাধ্যক্ষ এস এম আব্দুল লতিফ অধ্যক্ষের দায়িত্বে আসেন এবং সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ খ্রি. পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন । ১৯৮২ খ্রিস্টাব্দে কলেজটি জাতীয়করণের পর প্রথম অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেন প্রফেসর বেলায়েত আলী । প্রাথমিক পর্যায়ে কলেজটির শিক্ষক কাঠামো বলতে একজন অবৈতনিক অধ্যক্ষ, চারজন পূর্ণকালীন অধ্যাপক এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের দুইজন, রাজশাহী কলেজের তিনজন ও স্থানীয় উকিলবার থেকে নেয়া একজন খন্ডকালীন শিক্ষক কর্মরত ছিলেন । বর্তমানে মোট ৬০টি সৃষ্ট পদের বিপরীতে ৬২ জন শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন এবং অধ্যক্ষ হিসেবে প্রফেসর ড. মো: ইলিয়াছ উদ্দিন দায়িত্ব পালন করছেন । উপাধ্যক্ষের পদে রয়েছে প্রফেসর মনির উদ্দিন আহম্মদ।
এক সময়ের নৈশ কলেজ হিসেবে যাত্রা শুরু করা এই প্রতিষ্ঠানটি ১৯৬৩ সালে দিবাভাগে (ডে শিফট) উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণিতে পাঠদানের অনুমতি পায় । মাত্র ১৪০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে কলেজটি কার্যক্রম শুরু করলেও ১৯৬৯ সালের মধ্যেই এই সংখ্যা ৩৫০০ তে উন্নীত হয় । বর্তমানে উচ্চ মাধ্যমিক, ডিগ্রি পাস কোর্সসহ ১৪টি বিষয়ে অনার্স কোর্সে পাঠদান করা হয়। প্রায় ৯ হাজার শিক্ষার্থীর পদভারে সকল সময়ে কলেজটি মুখরিত থাকে । বর্তমান অধ্যক্ষ প্রফেসর আমিনা আবেদীনের যোগদানের পর থেকেই কলেজের একাডেমিক উন্নয়ন ও শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন । মোট ৩০টি বিভিন্ন কমিটিতে সকল শিক্ষককে সম্পৃক্ত করে কলেজের জন্য নানামুখী কল্যাণকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। গাইড টিচার নির্ধারণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সার্বক্ষণিক তদারকি করা হয়। শিক্ষক-শিক্ষার্থী, শিক্ষক-অভিভাবক এবং একাডেমিক কাউন্সিলে মতবিনিময়ের মাধ্যমে করণীয় নির্ধারণ করা হয় । সন্ত্রাস, মাদকাসক্তি ও জঙ্গিবাদের ভয়াবহতা সম্পর্কে সচেতন করার জন্য শিক্ষার্থীদের নিয়ে প্রায়শই বিভিন্ন উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। শুধু ভালো ফলাফলই নয়, শিক্ষার্থীর পূর্ণ বিকাশের মাধ্যমে প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার যাবতীয় দিক বিবেচনায় নিয়ে একাডেমিক কার্যক্রমের পাশাপাশি খেলাধুলা, সাহিত্য- সাংস্কৃতিক কার্যক্রমসহ নানামুখী কর্মসূচি পালন করা হয় । লাইব্রেরি ও শ্রেণিকক্ষসহ কলেজ চত্ত্বর সিসি ক্যামেরা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত । প্রতিটি ফ্লোরে প্রয়োজনীয় সংখ্যক আধুনিক ফিল্টার প্ল্যান্ট স্থাপনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জন্য সুপেয় পানির ব্যবস্থা রয়েছে । তথ্য প্রযুক্তির মহাসড়কে অন্যান্যের সাথে সমান তালে চলার লক্ষে ইতোমধ্যে কলেজের সকল বিভাগসহ অফিস ও লাইব্রেরিকে অপটিক ফাইবার সংযোগের মাধ্যমে ব্রড ব্যান্ডের আওতাভুক্ত করা হয়েছে ।
এ কলেজ থেকে অধ্যয়ন করে বহু শিক্ষার্থী যেমন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিষ্ঠিত হয়ে দেশ ও সাধারণ মানুষের কল্যাণে বিভিন্ন অবদান রেখে চলেছেন । তেমনি বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার ইতিহাসে এ কলেজের শিক্ষার্থীদের স্বীকৃত অবদান কলেজকে গর্বিত করেছে। এক্ষেত্রে ঊনসত্তরের গণ-আন্দোলন বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য । ১৯৬৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি রাজশাহীতে পাকিস্তান সরকার কর্তৃক ১৪৪ ধারা চলমান থাকার সময় সকাল ৯.০০ টার দিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর, রসায়ন বিভাগের শ্রদ্ধেয় শিক্ষক প্রফেসর ড. শামসুজ্জোহা পাকিস্তানি সেনাদের দ্বারা গুলিবিদ্ধ হলে এ কলেজের তৎকালীন ছাত্র ও ছাত্রসংসদের ভিপি নূরুল ইসলাম খোকার নেতৃত্বে রাজশাহীর বিক্ষুদ্ধ ছাত্রসমাজ প্রতিবাদ মিছিল বের করেন । মিছিলটি সিটি কলেজ গেট থেকে যাত্রা করে সোনাদিঘির পূর্বপার্শ্ব সংলগ্ন টাউন লন্ড্রির সামনে গেলে পৌর ভবনের (বর্তমান নির্মাণাধীন সিটি সেন্টার) ছাদ থেকে ইপিআর এর ছোঁড়া গুলিতে সকাল ১০:৪০ মিনিটে নূরুল ইসলাম শহিদ হন। আর পূর্বে গুলিবিদ্ধ ড. জোহা রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শহিদ হন ঐদিন বেলা ১.৩০ মিনিটে ।
বহু মানুষের ত্যাগের বিনিময়ে গড়ে ওঠা আজকের রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজ রাজশাহী তথা সমগ্র দেশের একটি গর্বের প্রতিষ্ঠান । আমাদের সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও অবদানে এ প্রতিষ্ঠানটি আরো গৌরবোজ্জ্বল হয়ে সারা পৃথিবীতে তার দ্যুতি ছড়িয়ে দিক-এটিই আমাদের প্রত্যাশা ।

কলেজ পরিচিতি

কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি : প্রায় ১৯ হাজার পুস্তক সমৃদ্ধ কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিটি কলেজ প্রবেশদ্বার ঘেঁষে পূর্ব পার্শ্বে অবস্থিত । পাঠ্যপুস্তকসহ অনেক দুষ্প্রাপ্য বই এই গ্রন্থগারে রয়েছে । গ্রন্থগারটি সিসি ক্যামেরা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত । এখানে একসঙ্গে শতাধিক পাঠক পড়ার সুযোগ পায়। মুক্তিযুদ্ধ কর্নারসহ শিক্ষকদের পড়াশুনা ও জ্ঞানচর্চার জন্য পৃথক ব্যবস্থা রয়েছে । লাইব্রেরিতে ৭টি জাতীয় দৈনিক সংবাদপত্র, ৪টি সাপ্তাহিক ম্যাগাজিনসহ বেশকিছু দেশি ও বিদেশি জার্নালের সরবরাহ রয়েছে । উচ্চ মাধ্যমিক, ডিগ্রি পাসকোর্স ও অনার্স কোর্সের শিক্ষার্থীরা লাইব্রেরি কার্ডের মাধ্যমে এখানে নিয়মিত বই লেন-দেন করে থাকে । কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি ব্যতীত ১৪টি অনার্স পাঠদানকারী বিভাগে তাদের নিজস্ব সেমিনার লাইব্রেরি রয়েছে যেখানে অনার্স শ্রেণির শিক্ষার্থীরা প্রয়োজন মতো তা ব্যবহার করতে পারে । গবেষণাগার: পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, গণিত, উদ্ভিদবিজ্ঞান ও প্রাণিবিদ্যা বিভাগে সমৃদ্ধ গবেষণাগার রয়েছে। এছাড়া আইসিটি বিভাগের জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধা সম্বলিত একটি কম্পিউটার ল্যাব রয়েছে । শিক্ষার্থীরা এসব গবেষণাগারে তাদের ব্যবহারিক পাঠ
গ্রহণ করে থাকে ।
অডিটরিয়ামঃ স্থান স্বল্পতা থাকা সত্ত্বেও কলেজ লনের পূর্ব পার্শ্বে একাডেমিক পূর্বভবনের নিচতলায় অবস্থিত বৃহৎ কক্ষটিকে প্রয়োজনীয় সকল সুযোগ সুবিধায় সমৃদ্ধ করে অডিটরিয়ামে রূপান্তর করা হয়েছে । এখানে পাঁচ শতাধিক দর্শক একসঙ্গে বসে অনুষ্ঠান উপভোগ করার সুযোগ পায় । বিভিন্ন জাতীয় দিবস ও অভ্যন্তরীণ সাহিত্য- সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড এখানে নিয়মিত অনুষ্ঠিত হয় ।
বোটানিক্যাল গার্ডেন: একাডেমিক পশ্চিমভবনের পূর্ব পার্শ্বে এবং প্রশাসন ভবনের দক্ষিণ-পশ্চিম কর্নারে দুটি বোটানিক্যাল গার্ডেন রয়েছে। দৃষ্টিনন্দন ও উদ্ভিদতাত্ত্বিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ উদ্ভিদ দ্বারা বাগান দুটি সুশোভিত ।
সাইকেল গ্যারেজঃ কলেজ প্রবেশদ্বার সংলগ্ন পূর্ব পার্শ্বে একটি সুরক্ষিত সাইকেল গ্যারেজ রয়েছে । একজন সহায়ক কর্মচারী সার্বক্ষণিক এটি সুরক্ষার দায়িত্ব পালন করে । এখানে একসঙ্গে প্রায় ২০০টি সাইকেল রাখার ব্যবস্থা রয়েছে । টোকেন লেন- দেনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা গ্যারেজে সাইকেল রাখতে পারে ।
বিএনসিসি: মহাস্থান রেজিমেন্টের অধীন ৩১ নম্বর মহাস্থান ব্যাটালিয়নের একটি প্লাটুন কলেজে সক্রিয় রয়েছে । নির্ধারিত বিভিন্ন প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে দেশ ও জাতির ক্রান্তিকালে সেবা প্রদানের মানসিকতা গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে ক্যাডেটদের ভর্তি করা হয় । একাডেমিক পশ্চিমভবনের নিচতলার দক্ষিণ পার্শ্বে বিএনসিসি’র কার্যালয় অবস্থিত । একজন সামরিক প্রশিক্ষক ক্যাডেটদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকেন । সামরিক প্রশিক্ষণের পাশাপাশি প্লাটুন কমান্ডারের নেতৃত্বে ক্যাডেটদের বিভিন্ন সমাজগঠনমূলক প্রশিক্ষণও প্রদান করা হয়ে থাকে ।

About the establishment: Rajshahi Government City College
The unique beauty of the serene Padma river of North Bengal, associated with the memory of Hazrat Shah Makhdum Ruposh (RA), a pilgrimage city of unique beauty in its peaceful and gentle eternal glory, is located in Rajarhata, on the northern side of the Malopara-PDB road running alongside Sonadighi, the heart of the divisional city of Rajshahi. The college was established in 1958. Since it did not have its own building at the beginning of its journey, the neighboring Loknath High School was used for the college’s classes. At that time, low-paid employees with matriculation (SSC) passes got the opportunity to study in the intermediate class (HSC) in the night shift at Rajshahi College, but since no educational institution had a night shift for studying at the degree level, they were deprived of higher education. The need for establishing a degree-level night college was widely felt due to the needs of the deprived and poor people of Rajshahi region, especially the desire of the working class for higher education. In continuation of this, with the help of educationally-minded social workers of Rajshahi city, today’s Rajshahi Government City College was established in July 1958 as a night college. The retired principal of Rajshahi College, known as the icon institution of the country, the renowned scholar Mr. Abdul Karim Mondal was appointed as the founding principal of the college. Incidentally, Mr. Abdul Karim Mondal had his own residence at the place of Karim Super Market currently located in Saheb Bazar, Rajshahi. This great person, who was passionate about education, performed the duties of the principal without salary and left the drawing room of his residence with the necessary furniture for use as the college office. The Karim Super Market built in place of the residence is known as the first principal of the college. In 1959, 0.5 acres of land was purchased for the college to build its own building, where the present college stands proudly. Along with this, the area of the college was increased by purchasing some more land and the land area stood at 1.0481 acres.
After the establishment of the college, the journey of the central library of the college started in 1959 by purchasing 400 books for 3075/- taka. At present, the college library is enriched with many rare texts, various types of magazines and journals, including textbooks for higher secondary, degree pass courses and honors classes.
Prospectus-08
The administration building of the South Block is the first building built for the college. This building was built at a total cost of 1 lakh taka. At that time, the then Deputy Commissioner Mr. P. A. Nazir was the president of the college management council. In the financial year 1967-68, the academic west building of the college was built at a government sanctioned cost of 3 lakh 50 thousand taka. After the emergence of Bangladesh, the current administration building of the college, which was first built with 5 lakh taka allocated under the development project, has taken the form of a two-story building and has reached its present position. Over time, the Academic North Building, Academic East Building and Academic Middle Building were built in stages.
The 56-bed college hostel was built in 1998. Before that, a rented house was used as the college hostel. Later, the current hostel was built on this acquired site. Although there was a Shahid Minar in the hostel premises, the construction of the newly built current Shahid Minar was completed in 2017.
After the tragic death of the founding principal of the college, Mr. Abdul Karim Mondal, Mr. Shamsuddin Ahmed, retired director of the Department of Archaeology and former treasurer of Rajshahi University, was given the responsibility of managing the college. He served as the unpaid principal of the college from September 1958 to May 1963. Then the acting Vice-Principal SM Abdul Latif took over as the Principal and served until September 1974. In 1982, after the nationalization of the college, Professor Belayet Ali joined as the first Principal. In the initial stage, the teaching structure of the college consisted of an unpaid Principal, four full-time professors, two from Rajshahi University, three from Rajshahi College and one part-time teacher from the local Bar Association. At present, 62 teachers are working against a total of 60 created posts and Professor Dr. Md. Elias Uddin is serving as the Principal. The Vice-Principal is Professor Monir Uddin Ahmed.
This institution, which started its journey as a night college, was allowed to teach in the day shift in the higher secondary class in 1963. Although the college started its activities with only 140 students, this number increased to 3500 by 1969. Currently, honors courses are taught in 14 subjects including higher secondary, degree pass courses. The college is always full of about 9,000 students. Since the joining of the current principal, Professor Amina Abedin, she has been making relentless efforts to ensure the academic development and proper environment of education of the college. A total of 30 different committees have taken various beneficial steps for the college by involving all the teachers. Students are supervised round the clock by appointing guide teachers. Actions are determined through exchange of views in the teacher-student, teacher-guardian and academic council. Various motivational programs are often conducted with students to make them aware of the dangers of terrorism, drug addiction and militancy.